বাগেরহাটের রামপালে হিন্দু পরিবারের মৎস্যঘের দখল করে মাছ ধরার অভিযোগ

বাগেরহাটের রামপালে হিন্দু পরিবারের মৎস্যঘের দখল করে মাছ ধরার অভিযোগ

হারুন শেখ স্টাফ রিপোর্টার বাগেরহাট জেলা।

বাগেরহাটের রামপালে হিন্দু পরিবারের মৎস্যঘের দখল করে মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে প্রতিমন্ত্রী ও রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। গত ১৪ জুলাই মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগটি করেন উপজেলার হুড়কা গ্রামের বাসিন্দা মৃত গুরুদাশ ঘরামীর ছেলে উত্তম ঘরামী।
লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নিলাম খরিদ করে ৫.৩০ একর জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য চাষ করে আসছেন। গত ইংরেজি ২৫ মে রাত অনুমান ১২ টার সময় কতিপয় ঘেরদখলবাজ লোকজন নিয়ে তার ঘেরে চড়াও হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামকে জানালে তিনি স্থানীয় হুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেনের মাধ্যমে শালিশ বৈঠক করা হয়। প্রতিপক্ষ ইকরাম ফারাজি, রবিউল হাফেজ, মহম্মদ আলী ও শাহাজালাল ঘেরের পক্ষে কোন কাগজপত্র দেখাতে না পেরে ঘের ছেড়ে চলে যায়। পরবর্তীতে আবারো তারা ঘেরের দখল নিয়ে চারো পেতে মাছ ধরা শুরু করে। এতে তাদের এক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশনা অমান্য করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক মাছ ধরে নিচ্ছে। তাদের বাঁধা দিলে তারা হিন্দু এলাকায় বহু মামলার আসামী সন্ত্রাসী মহম্মদ আলীকে দিয়ে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন ভুক্তভোগী। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ইকরাম ফারাজি, শাহাজালাল ও রবিউল এর কাছে জানতে চাইলে তারা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বৈধ মালিকের কাছ থেকে জমির লিজ নিয়ে তারা ঘের করছেন, কাউকে ভয়ভীতি দেননি। এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ রাজিব আল রশিদের কাছে জানতে চাইলে বলেন, তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভুক্তভোগীরা প্রতিমন্ত্রীর জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *